Smart Citizenship Card Update: ভারতে চালু হচ্ছে নাগরিক কার্ড! কি ভাবে এটি করবেন ? কি কাগজ লাগবে ?

এখন আর আলাদা করে কাউকে নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে হবে না কারণ কেন্দ্রীয় সরকার এবার সকলকেই ভারতের নাগরিকত্ব দেবে। এরজন্য কেন্দ্র নিয়ে এসেছে স্মার্ট সিটিজেনশিপ কার্ড (Smart Citizenship Card Update)। এই কার্ড থাকলে আর কোনো চিন্তা থাকবেনা। এই কার্ডটি থাকলে ভোটার তালিকা সংশোধনে (SIR) এ আর কোনো সমস্যাই হবেনা।
এই স্মার্ট কার্ড কেন নিয়ে আসা হচ্ছে ?
অনেকদিন ধরেই এরকম কোনো কার্ড ছিলনা যেটি ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণ করবে এবং যেটি সকলের কাছে থাকবে। তাই কেন্দ্র সরকার দেশের প্রত্যেককে নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য নাগরিকত্বের কার্ড অর্থাৎ স্মার্ট সিটিজেনসিভ কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা অনেকেই আধার কার্ড ও ভোটার কার্ডকে নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করতাম। কিন্তু কিছুদিন আগে নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্র সরকার জানিয়ে দিয়েছে যে এখন এগুলোকে আর নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে ধরা হবে না।
আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড শুধুই একটি পরিচয়পত্র। তবে জন্মসনদ বা পাসপোর্ট নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে পারে কিন্তু এগুলো অনেকের কাছেই নেই।যেহেতু আগেরদিনে মানুষ খুব একটা সচেতন ছিলেন না তাই তারা জন্মসনদ বানাতেন না। এরজন্যই একক কার্ড নিয়ে আসছে কেন্দ্র সরকার যেটি সরাসরি নাগরিকত্ব প্রমাণ করবে।
কী কী থাকছে স্মার্ট কার্ডে ?
১) নাম ও ছবি
২) জন্ম তারিখ ও জন্মের স্থান
৩) ইউনিক সিটিজেনশিপ নম্বর
৪) ডিজিটাল সিগনেচার
৫) আধুনিক সিকিউরিটি ফিচার
শুধু তাই নয় থাকবে একটু QR কোড যেটি স্ক্যান করলে নাগরিকত্বের প্রমাণ পাওয়া যাবে ও সকল তথ্য নথিভুক্ত থাকবে। এই কার্ডটি ব্যবহার করে ভোটার তালিকার সার্ভে থেকে শুরু করে নাগরিকত্বের যাচাই সবকিছুই করা যাবে।
এই বিষয় নিয়ে সংসদে প্রশ্ন উঠতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের অধীনে প্রত্যেককে নথিভুক্ত করা উচিত সরকারের। এরজন্যই নতুন কার্ডটি আনা হচ্ছে আর সেটিও বিনামূল্যে। এর মাধ্যমে ভুয়ো ভোটার চিহ্নিত করা যাবে আর অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরাও দেশে ঢুকতে পারবেনা।
বর্তমানে যদি আপনি নাগরিকত্ব পেতে চান তাহলে এই নিয়মগুলো মানতে হবে:-
১)যদি আপনার জন্ম ভারতে হয় আর সেটি ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ – ১ জুলাই ১৯৮৭ মধ্যে হয় তাহলে আপনি সরাসরি নাগরিকত্ব পাবেন।
২) যদি জন্ম ১ জুলাই ১৯৮৭ – ৩ ডিসেম্বর ২০০৪ এর মধ্যে হয় তাহলে আপনাকে আপনার বাবা বা মায়ের নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে হবে।
৩) যদি আপনার জন্ম ৩ ডিসেম্বর ২০০৪-এর পর হয় তাহলে বাবা-মা দুজনকেই ভারতের নাগরিক হতে হবে।
কবে থেকে চালু হবে স্মার্ট কার্ড ?
এই কার্ডটি পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে কয়েকটি রাজ্যে প্রথমে চালু করা হবে। তারপর দেখা হবে এটি কতটা কার্যকর তারপর ২০২৬ সাল থেকে এই কার্ডটিকে পুরোপুরি চালু করে দেওয়া হবে। তাই এখন আর সাধারণ মানুষকে চিন্তা করতে হবে না কারণ এবার থেকে একটু কার্ড দেখিয়েই সরকারি কাজ থেকে শুরু করে সকল কাজ হয়ে যাবে।
এছাড়াও এটি পড়াশোনা ও চাকরির ক্ষেত্রেও গ্রহণযোগ্য হবে। এতে যেহেতু ডিজিটাল ডাটাবেসে থাকবে তাই ডাটা তাড়াতাড়ি যাচাই করা যাবে। বিভিন্ন কাজ করার জন্য অনেক ধরণের ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয় আমাদের এখন থেকে আর সেটি হবেনা। এই কার্ডটি দেখালেই হয়ে যাবে। যদিও এই বিষয় নিয়ে সরকারি কোনো নির্দেশ আসেনি।




এটাও যে আধার কার্ড ও ভোটারের মত নকল হবেনা তার গ্যারান্টি কোথায়, হ্যাকার তো ওত পেতে বসে আছে, যে দেশের কারেন্সী জাল হয় আর স্মার্টকার্ড তো নশ্য!!!